বৃহস্পতিবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জবাব দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী।
বিজ্ঞপ্তিতে উপাচার্য হায়দার আলী জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর উপাচার্য হিসেবে থাকার জন্য আমি কোনো মন্ত্রী, এমপি, সচিব, শিক্ষক নেতাদের কাছে চেষ্টা বা তদবির করিনি।
এ সময় নিয়োগ-পরবর্তী সময় থেকে উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষের দুর্নীতি, অনিয়ম, নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, গোপনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি প্রতিষ্ঠা, গোপনে দলীয় নিয়োগ ইত্যাদির তদন্তের দাবি তোলা হয় মানববন্ধন এবং সংবাদ সম্মেলনে।