সাম্প্রতিক
মায়ের পেটে ছুরি মারে ছিনতাইকারী, তবুও তৌসিফকে নিতে স্কুলে ছুটে যান মা নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করলেন জিৎ হলিউডে অভিষেক হচ্ছে দিশা পাটানির নববর্ষের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রকৃতি, কৃষি ও মানুষের গভীর সম্পর্ক সাহিত্য-স্মৃতিকথায় ষাটের দশকের প্রতিচ্ছবি চলে গেলেন চৌরঙ্গী, জন-অরণ্যের স্রষ্টা শংকর ভিড়ের মধ্যে নিজেকে হারানো কিংবা খোঁজার সেই আনন্দ আর নেই প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকেই পুরস্কার নিতে চান কবি মোহন রায়হান ‘যতি চিহ্নহীন’ রেজাউদ্দিন স্টালিন পিআর দিয়ে তারকা হওয়া যায় না : আমিশা মায়ের পেটে ছুরি মারে ছিনতাইকারী, তবুও তৌসিফকে নিতে স্কুলে ছুটে যান মা নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করলেন জিৎ হলিউডে অভিষেক হচ্ছে দিশা পাটানির নববর্ষের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রকৃতি, কৃষি ও মানুষের গভীর সম্পর্ক সাহিত্য-স্মৃতিকথায় ষাটের দশকের প্রতিচ্ছবি চলে গেলেন চৌরঙ্গী, জন-অরণ্যের স্রষ্টা শংকর ভিড়ের মধ্যে নিজেকে হারানো কিংবা খোঁজার সেই আনন্দ আর নেই প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকেই পুরস্কার নিতে চান কবি মোহন রায়হান ‘যতি চিহ্নহীন’ রেজাউদ্দিন স্টালিন পিআর দিয়ে তারকা হওয়া যায় না : আমিশা

সোশ্যাল লিংকসমূহ

ফেসবুক

ইউটিউব

ফেসবুক পেজ

মূল পেজ

StarNews.Television

মূল পেজ

StarNews.Television

মূল পেজ

StarNews.Television

ইউটিউব চ্যানেল

মূল চ্যানেল

@digitalstarnews

মূল চ্যানেল

@digitalstarnews

মূল চ্যানেল

@digitalstarnews

অপরাধ ঠেকাতে রাজধানীতে আরো ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসছে

ছবি: সংগৃহীত

সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা ও স্বস্তি ফেরাতে কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস, ছিনতাই ও মাদক প্রতিরোধে রাজধানীতে নজরদারি বাড়িয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এর অংশ হিসেবে মহানগরীতে আরো ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।

ডিএমপি জানিয়েছে, এ ছাড়া আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড অভিযান, পুলিশি টহল, বিভিন্ন সড়কে চেকপোস্ট এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বলেন, ‘নজরদারি বাড়াতে ঢাকা মহানগরীতে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা করা হবে। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস ও ছিনতাই ঠেকাতে ৭০০ সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।’ এগুলো স্থাপন করা হলে এই মহানগর আরো নিরাপদ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

তিনি আরো বলেন, ‘মোহাম্মদপুর অপরাধপ্রবণ এলাকা হওয়ায় সেখানে আমরা আরো একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করব।

সম্প্রতি মোহাম্মদপুরের বসিলায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি উদ্বোধন করা হয়েছে এবং সেখানে যেখানে পুলিশের অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন রয়েছে। এ ছাড়াও রাজধানীর ৫০টি থানায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি), সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) ও পেট্রোল ইন্সপেক্টর দেওয়া হয়েছে।’ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত এই কমিশনার বলেন, ‘অপরাধীদের ধরতে আমরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছি।’

মোহাম্মদপুর এলাকায় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করেই বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড করছে কিশোর গ্যাং সদস্যরা।

আমরা তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনবো। অপরাধীদের গ্রেফতার করাকে আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি।এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড অভিযান বাড়ানো হয়েছে।’

তিনি আরো জানান, বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে ১ হাজার ৯১০টি সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে।

এগুলোর সহায়তায় চুরি-ছিনতাই রোধসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও যানজট নিরসনে সফলতা পাওয়া যাচ্ছে।

ডিএমপির বিভিন্ন এলাকা নজরদারির আওতায় আনতে নতুন একটি প্রকল্পের অধীনে সিসি ক্যামেরা কেনার প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, আওতাধীন এলাকায় ডিএমপি বা সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রায় ৭১০টি এবং ‘ল অ্যান্ড অর্ডার কো-অর্ডিনেশন কমিটির মাধ্যমে- অর্থাৎ গুলশান-বনানীসহ বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক বাড়ি মালিকদের সংগঠন বা সরাসরি ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২শ’টি ক্যামেরা স্থায়ীভাবে পরিচালিত হচ্ছে। যার কারণে ওই এলাকায় অপরাধ কমে এসেছে।

স্থায়ী ক্যামেরার পাশাপাশি বিভিন্ন বড় উৎসব বা আয়োজনে অস্থায়ী ক্যামেরা বসানো হয় বলেও উল্লেখ করেন এই উপ-পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ, একুশে ফেব্রুয়ারি বা ২৬ মার্চের মতো ইভেন্টগুলো কেন্দ্র করে আমরা প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী সিসি ক্যামেরা স্থাপন করি। যেমন, পহেলা বৈশাখে প্রায় পৌনে দুইশ’ ক্যামেরা অস্থায়ীভাবে বসিয়েছিলাম।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষে ক্যামেরাগুলো পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকায় কোনোটিতে ত্রুটি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গেই তা নজরে আসে। নষ্ট বা বিকল হওয়ার খবর পাওয়া মাত্রই মেরামত বা পরিবর্তন করে দ্রুত চালু করা হয়।

অপরাধ দমনে সিসি ক্যামেরার ভূমিকা তুলে ধরে ডিসি নাসির বলেন, যে কোনো ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং অপরাধীদের দ্রুত শনাক্তে সিসি ক্যামেরা দারুণ কাজ করছে। কন্ট্রোল রুম থেকে আমরা যখনই কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেখতে পাই, সেখানে রেসপন্স টিম পাঠিয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি।

তিনি আরো বলেন, ‘চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও মারামারি রোধের পাশাপাশি রাজধানীর যানজট নিরসনেও এই ক্যামেরাগুলোর ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কার্যকর ভূমিকা রাখছে ডিএমপি।’

Tags:

সম্পর্কিত খবর :